সাতক্ষীরা 5:09 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

জবিতে বাস কমিটির জন্য আলাদা সিট, কমিটির দাপটে পরিবহন সেক্টর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 09:52:14 pm, Monday, 14 September 2026 89 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

কেয়া আক্তার, জবি প্রতিনিধি:জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বাস কমিটির কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিভিন্ন বাসে কমিটির নামে আলাদা আসন রাখা, নিজেদের মতো নিয়ম চালু করা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, অতীতে বাস কমিটিকে ঘিরে বিভিন্ন জটিলতা, শিক্ষার্থী হয়রানি ও অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে এ বিষয়ে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান নিয়েছিল। এরপরও কিছু বাসে অনানুষ্ঠানিকভাবে কমিটির কার্যক্রম থাকলেও তা সীমিত ছিল। তবে জকসু নির্বাচনের পর বিভিন্ন বাসে নতুন করে কমিটি গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব বাস কমিটির প্যাডে জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিকের স্বাক্ষর রয়েছে। এ কারণে কমিটির সদস্যরা নিজেদের কার্যক্রমকে প্রশাসনিক অনুমোদনপ্রাপ্ত হিসেবে উপস্থাপন করছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
কমিটির জন্য আলাদা সিট
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বাসে কমিটির সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট আসন রাখার অভিযোগ সামনে এসেছে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, এসব আসন খালি থাকলেও সেখানে বসতে গেলে বলা হয়, ‘এটি কমিটির সিট’। ফলে আসন সংকটের সময়ও অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।
কয়েকটি বাসে খাতা, কলম, পেনসিলসহ বিভিন্ন জিনিস রেখে আগেভাগে আসন দখল করে রাখার ঘটনাও দেখা গেছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাস কমিটির দাপট দেখে মনে হয়, তারা বাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির চেয়েও বেশি ক্ষমতাবান। তাদের কিছু বলার সুযোগ নেই। সিট খালি থাকলেও বসতে দেওয়া হয় না। বলা হয়, এগুলো কমিটির জন্য বরাদ্দ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জুনিয়ররা আগে বাসে উঠলেও অনেক সময় সিট খালি থাকা সত্ত্বেও বসতে পারি না। তাদের নিয়ম না মানলে বাসে উঠতে দেওয়া হবে না—এমন পরিস্থিতিও তৈরি করা হয়।”
মনগড়া নিয়ম ও ধূমপানের অভিযোগ
বাস কমিটির কিছু সদস্য নিজেদের মতো নিয়ম তৈরি করে তা শিক্ষার্থীদের ওপর প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব নিয়মের বিরোধিতা করলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়ার আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী সরাসরি প্রতিবাদ করেন না বলে জানান তারা।
এদিকে বাস চলাচলের সময় কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ধূমপানের অভিযোগও সামনে এসেছে। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা অস্বস্তিতে পড়লেও প্রতিবাদ করতে গিয়ে পরবর্তীতে বাসে হেনস্তার শিকার হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে নীরব থাকেন বলে অভিযোগ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বাসে ধূমপান করলে আমাদের অনেকের সমস্যা হয়। কিন্তু প্রতিবাদ করলে পরে বাসে নানা সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই অনেকে চুপ থাকেন।”
যা বলছে জকসু ও প্রশাসন
এসব বিষয়ে জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বাসেই আসন ফাঁকা থাকে না। আগে এলে আগে বসার নিয়মই অনুসরণ করা হয়। জুনিয়র-সিনিয়র সম্পর্কের কারণে কেউ দাঁড়িয়ে গেলে সেটিকে কমিটির জন্য নির্ধারিত আসন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কোনো কমিটির বিষয়ে সমস্যা থাকলে শিক্ষার্থীরা নাম প্রকাশ না করেও অভিযোগ দিতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিক বলেন, “বাসে কমিটির জন্য আলাদা সিট বরাদ্দের কোনো নিয়ম নেই। যে আগে আসবে, সে আগে বসবে। খাতা, কলম বা পেনসিল রেখে সিট আটকে রাখার ব্যবস্থাও বন্ধ করা হবে। বাস চালু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে বাস খুলে দেওয়া হবে।”
ধূমপানের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাসে ধূমপান বন্ধে আগামীকাল একটি নির্দেশনা জারি করা হবে। এরপর বাসে কেউ ধূমপান করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “র‍্যাগিংয়ের কোনো ঘটনা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে প্রক্টোরিয়াল বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে বাসে কোনো শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা কিংবা কমিটির জন্য আগে থেকে সিট বরাদ্দ রাখার বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বাস কমিটির বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থা কোনো ব্যক্তি বা কমিটির নিয়ন্ত্রণে না থেকে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আসন ব্যবস্থাপনা, বাস কমিটির কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি চান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

জবিতে বাস কমিটির জন্য আলাদা সিট, কমিটির দাপটে পরিবহন সেক্টর

আপডেট সময় : 09:52:14 pm, Monday, 14 September 2026

কেয়া আক্তার, জবি প্রতিনিধি:জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বাস কমিটির কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিভিন্ন বাসে কমিটির নামে আলাদা আসন রাখা, নিজেদের মতো নিয়ম চালু করা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, অতীতে বাস কমিটিকে ঘিরে বিভিন্ন জটিলতা, শিক্ষার্থী হয়রানি ও অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে এ বিষয়ে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান নিয়েছিল। এরপরও কিছু বাসে অনানুষ্ঠানিকভাবে কমিটির কার্যক্রম থাকলেও তা সীমিত ছিল। তবে জকসু নির্বাচনের পর বিভিন্ন বাসে নতুন করে কমিটি গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব বাস কমিটির প্যাডে জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিকের স্বাক্ষর রয়েছে। এ কারণে কমিটির সদস্যরা নিজেদের কার্যক্রমকে প্রশাসনিক অনুমোদনপ্রাপ্ত হিসেবে উপস্থাপন করছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
কমিটির জন্য আলাদা সিট
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বাসে কমিটির সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট আসন রাখার অভিযোগ সামনে এসেছে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, এসব আসন খালি থাকলেও সেখানে বসতে গেলে বলা হয়, ‘এটি কমিটির সিট’। ফলে আসন সংকটের সময়ও অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।
কয়েকটি বাসে খাতা, কলম, পেনসিলসহ বিভিন্ন জিনিস রেখে আগেভাগে আসন দখল করে রাখার ঘটনাও দেখা গেছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাস কমিটির দাপট দেখে মনে হয়, তারা বাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির চেয়েও বেশি ক্ষমতাবান। তাদের কিছু বলার সুযোগ নেই। সিট খালি থাকলেও বসতে দেওয়া হয় না। বলা হয়, এগুলো কমিটির জন্য বরাদ্দ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জুনিয়ররা আগে বাসে উঠলেও অনেক সময় সিট খালি থাকা সত্ত্বেও বসতে পারি না। তাদের নিয়ম না মানলে বাসে উঠতে দেওয়া হবে না—এমন পরিস্থিতিও তৈরি করা হয়।”
মনগড়া নিয়ম ও ধূমপানের অভিযোগ
বাস কমিটির কিছু সদস্য নিজেদের মতো নিয়ম তৈরি করে তা শিক্ষার্থীদের ওপর প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব নিয়মের বিরোধিতা করলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়ার আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী সরাসরি প্রতিবাদ করেন না বলে জানান তারা।
এদিকে বাস চলাচলের সময় কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ধূমপানের অভিযোগও সামনে এসেছে। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা অস্বস্তিতে পড়লেও প্রতিবাদ করতে গিয়ে পরবর্তীতে বাসে হেনস্তার শিকার হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে নীরব থাকেন বলে অভিযোগ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বাসে ধূমপান করলে আমাদের অনেকের সমস্যা হয়। কিন্তু প্রতিবাদ করলে পরে বাসে নানা সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই অনেকে চুপ থাকেন।”
যা বলছে জকসু ও প্রশাসন
এসব বিষয়ে জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বাসেই আসন ফাঁকা থাকে না। আগে এলে আগে বসার নিয়মই অনুসরণ করা হয়। জুনিয়র-সিনিয়র সম্পর্কের কারণে কেউ দাঁড়িয়ে গেলে সেটিকে কমিটির জন্য নির্ধারিত আসন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কোনো কমিটির বিষয়ে সমস্যা থাকলে শিক্ষার্থীরা নাম প্রকাশ না করেও অভিযোগ দিতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিক বলেন, “বাসে কমিটির জন্য আলাদা সিট বরাদ্দের কোনো নিয়ম নেই। যে আগে আসবে, সে আগে বসবে। খাতা, কলম বা পেনসিল রেখে সিট আটকে রাখার ব্যবস্থাও বন্ধ করা হবে। বাস চালু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে বাস খুলে দেওয়া হবে।”
ধূমপানের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাসে ধূমপান বন্ধে আগামীকাল একটি নির্দেশনা জারি করা হবে। এরপর বাসে কেউ ধূমপান করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “র‍্যাগিংয়ের কোনো ঘটনা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে প্রক্টোরিয়াল বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে বাসে কোনো শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা কিংবা কমিটির জন্য আগে থেকে সিট বরাদ্দ রাখার বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বাস কমিটির বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থা কোনো ব্যক্তি বা কমিটির নিয়ন্ত্রণে না থেকে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আসন ব্যবস্থাপনা, বাস কমিটির কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি চান তারা।