সংকট নিরসনে নবীজির দীক্ষা
- আপডেট সময় : 01:27:19 am, Saturday, 6 September 2025 370 300 বার পড়া হয়েছে

আজ ১২ রবিউল আউয়াল—ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। দিনটি স্মরণ করায় মানবজাতির জন্য মহান আলোর আগমন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) শুধু ধর্মপ্রচারকই নন; তিনি ছিলেন ন্যায়, মানবিকতা ও সাম্যের দূত। তাঁর জীবনধারা ছিল নিপীড়িত মানুষের আশ্রয় এবং অন্ধকার সমাজকে আলোকিত করার এক মহাপরিকল্পনা।
আমাদের সমাজ আজ নানা সংকটে বিপর্যস্ত। রাজনৈতিক বিভাজন, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি, বৈষম্য ও মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। যুবসমাজ কাজের অভাবে হতাশ, কৃষক ঘাম ঝরিয়েও ন্যায্য দাম পান না, শ্রমিক বঞ্চিত হন ন্যায্য প্রাপ্য থেকে। এর সঙ্গে মাদক ও সহিংসতার দৌরাত্ম্য জাতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।
এ অবস্থায় নবীজির শিক্ষা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় দিকনির্দেশনা। তিনি ক্ষমতার জন্য সংঘাতকে নয়, ক্ষমাশীলতা ও আলোচনাকে বেছে নিয়েছিলেন। শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, বঞ্চিতের অধিকার ও অসহায়ের প্রতি সহমর্মিতা ছিল তাঁর রাষ্ট্রনীতি। তিনি বলেছিলেন—“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার আচরণে উত্তম।”
আজ আমাদের নেতৃত্বে দরকার সেই নৈতিকতা, যা মানুষকে বিভাজন নয়, ঐক্যের পথে ডাকবে। সমাজে দরকার সহানুভূতি, অর্থনীতিতে দরকার ন্যায্যতা, রাজনীতিতে দরকার সংলাপ ও সহিষ্ণুতা। নবীজির শিক্ষা কেবল ধর্মীয় আচারের সীমায় নয়, বরং রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণের পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা।
এই দিনে আমাদের শপথ হোক—হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো সত্য ও মানবতার পথকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা। কেবল তবেই জাতি অন্ধকার থেকে মুক্তি পাবে, প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি, ন্যায় ও সমৃদ্ধি।





























