সাতক্ষীরা 4:58 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

ভারতে নিয়ে ১৫ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রি করতেন তারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 01:17:29 pm, Saturday, 1 January 2022 640 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

বাংলাদেশ থেকে কিডনি সংগ্রহ করে ভারতে নিয়ে ১৫-২০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হতো। এ কাজে জড়িত আন্তর্জাতিক চক্র। মূলহোতাসহ চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর খুলশী থানাধীন ভারতীয় ভিসা অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে কিডনি ও শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচারে জড়িত আন্তর্জাতিক চক্রের মূল হোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানাধীন মো. মতিউর রহমান শেখ এর ছেলে মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ সদর থানাধীন মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার মৃত মুজিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. আলম হোসেন (৩৮)। গ্রেফতারকৃতরা ফেসবুকে পেজ খুলে কিডনি, লিভারসহ শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেনা-বেচা করে থাকে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা সাইফুল ইসলাম নামে একজন অসহায় লোককে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ করছে। তাকে ইন্ডিয়াতে পাচার করার জন্য আসামিরা তার পাসর্পোটে ভিসা লাগানোর কাজে সহযোগিতায় ব্যস্ত ছিল। এসময় তাদের হাতে-নাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে একজন ভিকটিম ও বিভিন্ন ডকুমেন্ট জব্দ করা হয়। চক্রটি এই পর্যন্ত প্রায় ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেবার জন্য ভারতে পাচার করেছে।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবাছার বলেন, গ্রেফতার আতিকুর রহমান রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য। বাংলাদেশে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। ইন্ডিয়াতে অবস্থান করে শাহিন নামে একজন বাংলাদেশি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভারের ডোনার সংগ্রহ করে তাদেরকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে। এ ক্ষেত্রে ডোনারদের তারা ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ইন্ডিয়ায় ডোনারদের সঙ্গে রোগীদের রক্ত, কিডনি ও লিভার ক্রস ম্যাস করিয়ে থাকেন। শুধু কিডনির ও লিভারের জন্য চক্রটি রোগীদের নিকট থেকে ১৫-২০ লাখ টাকা নিয়ে থাকেন। ডোনার পাওয়ার পর ওই চক্রের সদস্যরাই তাদের পাসপোর্ট ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেন। অতঃপর ঢাকার একটি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভার পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে ওই লোকদেরকে তারা ইন্ডিয়াতে পাচার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

ভারতে নিয়ে ১৫ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রি করতেন তারা

আপডেট সময় : 01:17:29 pm, Saturday, 1 January 2022

বাংলাদেশ থেকে কিডনি সংগ্রহ করে ভারতে নিয়ে ১৫-২০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হতো। এ কাজে জড়িত আন্তর্জাতিক চক্র। মূলহোতাসহ চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর খুলশী থানাধীন ভারতীয় ভিসা অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে কিডনি ও শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচারে জড়িত আন্তর্জাতিক চক্রের মূল হোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানাধীন মো. মতিউর রহমান শেখ এর ছেলে মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ সদর থানাধীন মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার মৃত মুজিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. আলম হোসেন (৩৮)। গ্রেফতারকৃতরা ফেসবুকে পেজ খুলে কিডনি, লিভারসহ শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেনা-বেচা করে থাকে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা সাইফুল ইসলাম নামে একজন অসহায় লোককে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ করছে। তাকে ইন্ডিয়াতে পাচার করার জন্য আসামিরা তার পাসর্পোটে ভিসা লাগানোর কাজে সহযোগিতায় ব্যস্ত ছিল। এসময় তাদের হাতে-নাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে একজন ভিকটিম ও বিভিন্ন ডকুমেন্ট জব্দ করা হয়। চক্রটি এই পর্যন্ত প্রায় ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেবার জন্য ভারতে পাচার করেছে।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবাছার বলেন, গ্রেফতার আতিকুর রহমান রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য। বাংলাদেশে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। ইন্ডিয়াতে অবস্থান করে শাহিন নামে একজন বাংলাদেশি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভারের ডোনার সংগ্রহ করে তাদেরকে ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে। এ ক্ষেত্রে ডোনারদের তারা ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ইন্ডিয়ায় ডোনারদের সঙ্গে রোগীদের রক্ত, কিডনি ও লিভার ক্রস ম্যাস করিয়ে থাকেন। শুধু কিডনির ও লিভারের জন্য চক্রটি রোগীদের নিকট থেকে ১৫-২০ লাখ টাকা নিয়ে থাকেন। ডোনার পাওয়ার পর ওই চক্রের সদস্যরাই তাদের পাসপোর্ট ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেন। অতঃপর ঢাকার একটি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভার পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে ওই লোকদেরকে তারা ইন্ডিয়াতে পাচার করা হয়।