সাতক্ষীরা 2:50 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

নেত্রকোনায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, পরে গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 01:17:50 am, Saturday, 6 September 2025 172 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

স্টাফ রিপোর্টার:নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অফিস সহকারী রাসেল হায়দার ও অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। জানা গেছে, অগ্নিশিখা টেলিভিশনের সাংবাদিক ও ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ নেত্রকোনা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ বিশ্বাস তথ্য অধিকার আইনে কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। এ সময় অফিস সহকারী রাসেল হায়দার ও অন্যান্য কর্মচারীরা তার ওপর হামলা চালান।

অভিযোগে বলা হয়, অফিস সহকারী রাসেল হায়দার প্রথমে কিল-ঘুষি, থাপ্পড় ও পরে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা সাংবাদিক আমানুল্লাহ আমান, লাকি আক্তার ও অন্যরা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অমিতাভ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন—

“আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে।”
তিনি প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এদিকে হামলার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও হামলাকারীদের হুমকির মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, অফিস সহকারী রাসেল হায়দারের পক্ষ থেকে প্রেরিত কিছু দুর্বৃত্ত হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

পরবর্তীতে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে অফিস সহকারী রাসেল হায়দারের প্রভাব ও কারসাজিতে পুলিশ অমিতাভ বিশ্বাসকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন—

“প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দুর্নীতি আড়াল করতে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাসকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমরা সারা দেশের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।”

তিনি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

নেত্রকোনায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, পরে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : 01:17:50 am, Saturday, 6 September 2025

স্টাফ রিপোর্টার:নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অফিস সহকারী রাসেল হায়দার ও অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। জানা গেছে, অগ্নিশিখা টেলিভিশনের সাংবাদিক ও ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ নেত্রকোনা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ বিশ্বাস তথ্য অধিকার আইনে কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। এ সময় অফিস সহকারী রাসেল হায়দার ও অন্যান্য কর্মচারীরা তার ওপর হামলা চালান।

অভিযোগে বলা হয়, অফিস সহকারী রাসেল হায়দার প্রথমে কিল-ঘুষি, থাপ্পড় ও পরে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা সাংবাদিক আমানুল্লাহ আমান, লাকি আক্তার ও অন্যরা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অমিতাভ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন—

“আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে।”
তিনি প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এদিকে হামলার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও হামলাকারীদের হুমকির মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, অফিস সহকারী রাসেল হায়দারের পক্ষ থেকে প্রেরিত কিছু দুর্বৃত্ত হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

পরবর্তীতে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে অফিস সহকারী রাসেল হায়দারের প্রভাব ও কারসাজিতে পুলিশ অমিতাভ বিশ্বাসকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন—

“প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দুর্নীতি আড়াল করতে সাংবাদিক অমিতাভ বিশ্বাসকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমরা সারা দেশের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।”

তিনি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।