সাতক্ষীরা 10:19 pm, Sunday, 8 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

দেবহাটায় পৈতৃক ভিটা নিয়ে সুভদ্রাকে ঘিরে অভিযোগ, দিলীপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 02:13:38 pm, Sunday, 13 September 2026 102 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

দৈনিক সাতক্ষীরা কণ্ঠ ডেক্স:সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টিকেট গ্রামে পৈতৃক ভিটাকে কেন্দ্র করে বিরোধ ক্রমেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সুভদ্রা নামে এক নারীকে ঘিরে পৈতৃক সম্পত্তির দাবি, স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসার উদ্যোগ এবং অর্থ লেনদেনের আলোচনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ মণ্ডলের ভূমিকা নিয়েও এলাকায় চলছে নানা আলোচনা।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, টিকেট গ্রামের রঘুনাথপুর মৌজায় বৈষ্ণব বৈদ্যের ছেলে গৌর ও গোপালের নামে থাকা পৈতৃক ভিটাকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত। পরিবারের সদস্য সুভদ্রা একসময় ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে দেশে ফিরে পৈতৃক ভিটায় নিজের অধিকার দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিরোধ মেটাতে স্থানীয় পর্যায়ে সালিশ ও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, মীমাংসার সময় সুভদ্রা প্রথমে তার ভাই ও ভাইপোদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেন। পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই দাবির টাকা সুভদ্রাকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সুভদ্রাকে ঘিরে অভিযোগ, দিলীপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৈতৃক ভিটা সংক্রান্ত বিরোধে সুভদ্রার অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। একই সময়ে দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে সুভদ্রাকে ভিটায় ফেরানোর জন্য ফোনে চাপ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
তবে দিলীপ মণ্ডল আদৌ এ ধরনের কোনো চাপ দিয়েছেন কি না, সুভদ্রার সঙ্গে তার কী ধরনের যোগাযোগ ছিল এবং বিরোধ মীমাংসায় তার ভূমিকা কতটুকু—এসব বিষয়ে তার বক্তব্য জানা জরুরি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর অন্য দিকও স্পষ্ট হবে।
পুরোনো বয়স্ক ভাতার অভিযোগও ফের আলোচনায়
বর্তমান পৈতৃক ভিটা বিরোধের পাশাপাশি দিলীপ মণ্ডলকে ঘিরে অতীতে প্রকাশিত একটি অভিযোগও নতুন করে সামনে এসেছে।
পূর্বে প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের কাটিংয়ে শিরোনাম ছিল—“ভারতে চলে যাওয়া ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার টাকা তুলছেন দেবহাটার দিলীপ!”
ওই প্রতিবেদনে টিকেট গ্রামের মৃত কানাই লাল মণ্ডলের ছেলে দিলীপ মণ্ডলকে ঘিরে অরবিন্দ বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, অরবিন্দ বিশ্বাস জমিজমা বিক্রি করে সপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার পরও তার নামে বরাদ্দকৃত বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দিলীপ মণ্ডলকে কুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলামকেও বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ ছিল।
তবে পুরোনো ওই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লেনদেনের রেকর্ড, সমাজসেবা কার্যালয়ের নথি এবং ভাতা উত্তোলনের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
জমির প্রকৃত মালিকানা নিয়েও প্রশ্ন
পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধের মূল জায়গায় রয়েছে জমির মালিকানা, উত্তরাধিকার ও সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার সময় পানি শুকিয়ে গেলে জমি মেপে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
এ ক্ষেত্রে খতিয়ান, দলিল, নামজারি, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করলেই প্রকৃত মালিকানা ও অংশীদারিত্বের বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। বিশেষ করে সুভদ্রা দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করে থাকলে পৈতৃক সম্পত্তিতে তার বর্তমান আইনগত অধিকার কী—সেটিও নথিপত্রের ভিত্তিতে নির্ধারণের বিষয়।
অনুসন্ধানে সুভদ্রার দেখা মেলেনি
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা সুভদ্রার বসবাসরত এলাকায় গিয়ে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবেও তার কোনো মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। ফলে তার বক্তব্য সরাসরি নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় দিলীপ মণ্ডলের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধে তার সম্পৃক্ততা কতটুকু, সুভদ্রার সঙ্গে তার যোগাযোগের কারণ কী এবং পুরোনো বয়স্ক ভাতার অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য কী—এসব প্রশ্নের উত্তর তার বক্তব্যের মাধ্যমেই পরিষ্কার হতে পারে।
দৈনিক সাতক্ষীরা কণ্ঠের অনুসন্ধানে উঠে আসা তথ্য ও অভিযোগগুলো যাচাইাধীন। কোনো অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। জমির নথি, ভাতা উত্তোলনের রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হতে পারে।
অভিযুক্ত দিলীপ মণ্ডলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

দেবহাটায় পৈতৃক ভিটা নিয়ে সুভদ্রাকে ঘিরে অভিযোগ, দিলীপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : 02:13:38 pm, Sunday, 13 September 2026

দৈনিক সাতক্ষীরা কণ্ঠ ডেক্স:সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টিকেট গ্রামে পৈতৃক ভিটাকে কেন্দ্র করে বিরোধ ক্রমেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সুভদ্রা নামে এক নারীকে ঘিরে পৈতৃক সম্পত্তির দাবি, স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসার উদ্যোগ এবং অর্থ লেনদেনের আলোচনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ মণ্ডলের ভূমিকা নিয়েও এলাকায় চলছে নানা আলোচনা।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, টিকেট গ্রামের রঘুনাথপুর মৌজায় বৈষ্ণব বৈদ্যের ছেলে গৌর ও গোপালের নামে থাকা পৈতৃক ভিটাকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত। পরিবারের সদস্য সুভদ্রা একসময় ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে দেশে ফিরে পৈতৃক ভিটায় নিজের অধিকার দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিরোধ মেটাতে স্থানীয় পর্যায়ে সালিশ ও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, মীমাংসার সময় সুভদ্রা প্রথমে তার ভাই ও ভাইপোদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেন। পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই দাবির টাকা সুভদ্রাকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সুভদ্রাকে ঘিরে অভিযোগ, দিলীপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৈতৃক ভিটা সংক্রান্ত বিরোধে সুভদ্রার অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। একই সময়ে দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে সুভদ্রাকে ভিটায় ফেরানোর জন্য ফোনে চাপ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
তবে দিলীপ মণ্ডল আদৌ এ ধরনের কোনো চাপ দিয়েছেন কি না, সুভদ্রার সঙ্গে তার কী ধরনের যোগাযোগ ছিল এবং বিরোধ মীমাংসায় তার ভূমিকা কতটুকু—এসব বিষয়ে তার বক্তব্য জানা জরুরি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর অন্য দিকও স্পষ্ট হবে।
পুরোনো বয়স্ক ভাতার অভিযোগও ফের আলোচনায়
বর্তমান পৈতৃক ভিটা বিরোধের পাশাপাশি দিলীপ মণ্ডলকে ঘিরে অতীতে প্রকাশিত একটি অভিযোগও নতুন করে সামনে এসেছে।
পূর্বে প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের কাটিংয়ে শিরোনাম ছিল—“ভারতে চলে যাওয়া ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার টাকা তুলছেন দেবহাটার দিলীপ!”
ওই প্রতিবেদনে টিকেট গ্রামের মৃত কানাই লাল মণ্ডলের ছেলে দিলীপ মণ্ডলকে ঘিরে অরবিন্দ বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, অরবিন্দ বিশ্বাস জমিজমা বিক্রি করে সপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার পরও তার নামে বরাদ্দকৃত বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দিলীপ মণ্ডলকে কুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলামকেও বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ ছিল।
তবে পুরোনো ওই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের লেনদেনের রেকর্ড, সমাজসেবা কার্যালয়ের নথি এবং ভাতা উত্তোলনের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
জমির প্রকৃত মালিকানা নিয়েও প্রশ্ন
পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধের মূল জায়গায় রয়েছে জমির মালিকানা, উত্তরাধিকার ও সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার সময় পানি শুকিয়ে গেলে জমি মেপে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
এ ক্ষেত্রে খতিয়ান, দলিল, নামজারি, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করলেই প্রকৃত মালিকানা ও অংশীদারিত্বের বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। বিশেষ করে সুভদ্রা দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করে থাকলে পৈতৃক সম্পত্তিতে তার বর্তমান আইনগত অধিকার কী—সেটিও নথিপত্রের ভিত্তিতে নির্ধারণের বিষয়।
অনুসন্ধানে সুভদ্রার দেখা মেলেনি
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা সুভদ্রার বসবাসরত এলাকায় গিয়ে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবেও তার কোনো মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। ফলে তার বক্তব্য সরাসরি নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় দিলীপ মণ্ডলের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। পৈতৃক ভিটা নিয়ে বিরোধে তার সম্পৃক্ততা কতটুকু, সুভদ্রার সঙ্গে তার যোগাযোগের কারণ কী এবং পুরোনো বয়স্ক ভাতার অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য কী—এসব প্রশ্নের উত্তর তার বক্তব্যের মাধ্যমেই পরিষ্কার হতে পারে।
দৈনিক সাতক্ষীরা কণ্ঠের অনুসন্ধানে উঠে আসা তথ্য ও অভিযোগগুলো যাচাইাধীন। কোনো অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। জমির নথি, ভাতা উত্তোলনের রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হতে পারে।
অভিযুক্ত দিলীপ মণ্ডলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।