কালিগঞ্জে নতুন পাঠ্যক্রমের প্রচার শির্ষক ৬২২ শিক্ষককে প্রশিক্ষন
- আপডেট সময় : 09:26:03 pm, Friday, 6 January 2023 288 300 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায়,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এর নতুন পাঠ্যক্রমের প্রচার শির্ষক অনুমোদিত স্কিমের আওতায় উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের (যে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়) শিক্ষকদের শিক্ষাক্রম ২০২২ বিস্তরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল সকাল ৯ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। কালিগঞ্জ সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৬২২ জন শিক্ষককে ৩২ জন প্রশিক্ষকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদ মেহেদী। তিনি তার বক্তব্য স্মার্ট সিটিজেন,স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট সোসাইটি বিনির্মানে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং পরিবর্তনশীল বিশ্ব বাস্তবতায় নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আই,সি,টি ট্রেনিং সেন্টার এণ্ড রিসোর্স সেন্টারের সহকারী প্রগ্রামার নাছিম ছায়াদাত,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান,কালিগঞ্জ সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরুন কুমার।শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি সুব্রত কুমার বৈদ্য, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার সাইফুল ইসলাম। ৬ও ৭ জানুয়ারি এবং ১৩,১৪ ও ১৫ জানুয়ারী প্রতিদিন সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৫ দিন এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হবে।
ইতিপূর্বে মুক্তপাঠ অনলাইন প্লাটফর্মে সারাদেশের শিক্ষকদেরকে নতুন কারিকুলামের বিষয় ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধারণা দেওয়া হয়েছে।
নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন ও পাঠক্রমে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরিক্ষা না নিয়ে , শুধু বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে। কিন্তু পরবর্তী শ্রেণিগুলোতে মূল্যায়নের পদ্ধতি হিসেবে পরীক্ষা ও শিখন কার্যক্রম উভয় থাকছে।
























