সাতক্ষীরা 5:10 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকিনিয়ে পথচারীদপর চলাচলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 08:57:23 pm, Thursday, 1 October 2026 179 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুন:।আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে রাস্তার পাশে বৃহৎ বৃক্ষ শুকিয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথ চলাচলে বাধ্য হচ্ছে পথচারী ও এলাকাবাসী।
অশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ হতে বড়দল ব্যস্ততম সড়কে ফকরাবাদ গ্রামে রাস্তার একেবারে পাশে ৩০ বছর অধিককাল শিশু চটকা গাছ বেড়ে উঠেছে। ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড়ে জনসমাগম স্থানে বিনয় সরকারের কাঠগোলা,ধান,হলুদ ও তেলের মিল,বিল্লাল গাজীর চা স্টলসহ কয়েকটি দোকান রয়েছে। মসজিদ,স্কুল ও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের সমাগম ঘটে।
রাস্তা দিয়ে প্রতি নিয়ত অসংখ্য যানবাহন,ফকরাবাদ সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্রছাত্রী,সাধারণ জনগণ ও দূর দুরান্তের পথচারী চলাচল করে থেক। গাছের দুটি বড় বড় শাখা রাস্তার উপর ছায়া করে ছিল। ৩ মাসের অধিক শাখা দুটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে আছে। মূল গাছটিও মরণাপন্ন প্রায়। মরা শাখা ডাল দুটি রাস্তার উপর এমন বিপদজনক ভাবে রয়েছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়লে জীবনহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্কুলের পিটিএ সভাপতি,এস এম শরিফুল ইসলাম জানান,গাছটি রাস্তার উপর ঝুকে পড়েছে। শুকনো বড় আকৃতির ডাল দুটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রী,পথচারী ও যানবাহনগুলো রীতিমত হুমকির মধ্যদিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। জেলা পরিষদকে অবহিত করা হলেও গাছ কাটা হচ্ছেনা কেন,আমরা জানিনা। এলাকাবাসীর দাবী,
হয় গাছটি কেটে নেওয়া হোক,না হয় কোন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে তারাই কেটে নেবে।
আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, গাছটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। ঝড় বৃষ্টি বা যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কায় পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে রাস্তা দিয়ে যাতয়াত করে থাকে। দ্রুত গাছটি কেটে নিতে তিনি জেলা পরিষদের কাছে দাবী জানান।##

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকিনিয়ে পথচারীদপর চলাচলে

আপডেট সময় : 08:57:23 pm, Thursday, 1 October 2026

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুন:।আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে রাস্তার পাশে বৃহৎ বৃক্ষ শুকিয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথ চলাচলে বাধ্য হচ্ছে পথচারী ও এলাকাবাসী।
অশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ হতে বড়দল ব্যস্ততম সড়কে ফকরাবাদ গ্রামে রাস্তার একেবারে পাশে ৩০ বছর অধিককাল শিশু চটকা গাছ বেড়ে উঠেছে। ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড়ে জনসমাগম স্থানে বিনয় সরকারের কাঠগোলা,ধান,হলুদ ও তেলের মিল,বিল্লাল গাজীর চা স্টলসহ কয়েকটি দোকান রয়েছে। মসজিদ,স্কুল ও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের সমাগম ঘটে।
রাস্তা দিয়ে প্রতি নিয়ত অসংখ্য যানবাহন,ফকরাবাদ সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্রছাত্রী,সাধারণ জনগণ ও দূর দুরান্তের পথচারী চলাচল করে থেক। গাছের দুটি বড় বড় শাখা রাস্তার উপর ছায়া করে ছিল। ৩ মাসের অধিক শাখা দুটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে আছে। মূল গাছটিও মরণাপন্ন প্রায়। মরা শাখা ডাল দুটি রাস্তার উপর এমন বিপদজনক ভাবে রয়েছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়লে জীবনহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্কুলের পিটিএ সভাপতি,এস এম শরিফুল ইসলাম জানান,গাছটি রাস্তার উপর ঝুকে পড়েছে। শুকনো বড় আকৃতির ডাল দুটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রী,পথচারী ও যানবাহনগুলো রীতিমত হুমকির মধ্যদিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। জেলা পরিষদকে অবহিত করা হলেও গাছ কাটা হচ্ছেনা কেন,আমরা জানিনা। এলাকাবাসীর দাবী,
হয় গাছটি কেটে নেওয়া হোক,না হয় কোন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে তারাই কেটে নেবে।
আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, গাছটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। ঝড় বৃষ্টি বা যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কায় পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে রাস্তা দিয়ে যাতয়াত করে থাকে। দ্রুত গাছটি কেটে নিতে তিনি জেলা পরিষদের কাছে দাবী জানান।##