সাতক্ষীরা 5:24 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

আল্লাহ মুমিনের ডাকে যেভাবে সাড়া দেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 06:54:09 pm, Saturday, 1 January 2022 570 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

কুরআনে একটি আয়াত আছে, সুরা বাকারায়, আয়াত নম্বর ১৮৬,

وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُوا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ

আর আমার বান্দাগণ যখন আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করে, তখন বলে দিন যে নিশ্চয় আমি অতি নিকটে। আহ্বানকারী যখন আমাকে ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দিই। তুমি আমার প্রতি বিশ্বাস রাখো, একিন রাখো, এটা আমার হেদায়েতের তরিকা।

আল্লাহ পাকের একথা বলার অর্থ হলো যখন মানুষ তাকে ডাকে, তার ডাকের জওয়াব তিনি দেন। এটাই আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আল্লাহর রহমতে আমি একথা বলতে পারি যে, এমন বিষয় অনেক কথাই আমি জানি যা গোটা দুনিয়ায় আর কেউ জানে না। তো আমার এই জ্ঞান কোথা থেকে এসেছে? দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর তরফ থেকে এসেছে।

ইবনে তাইমিয়াকে অনেক বড় স্কলার মানা হয় ইসলামের ইতিহাসে, তিনি বলতেন, يا معلم ابراهيم علمني. (হে ইবরাহিমের শিক্ষক, আমাকে জ্ঞান দিন।)

যখন কুরআনের কোনো কিছু উনি বুঝতেন না, তখন এই এই দোয়া করতেন। হে পরমসত্তা, আপনি ইবরাহিমকে (আ.) যা বলেছেন, আমাকেও তা-ই বলেন। ইবরাহিমকে (আ.) যেই জ্ঞান দান করেছেন, আমাকেও একই জ্ঞান দিন।

তো, এই দোয়া আমারও জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এমন অসংখ্যবার হয়েছে যে আমি এই দোয়া করেছি, এর পরক্ষণেই এমন জ্ঞান আমার মনে উদয় হয়েছে যা আগে আমি জানতাম না। তাহলে কীভাবে আমি জানলাম? আল্লাহর তরফ থেকে এসেছে।

দেখুন, বিজ্ঞানে একটা বিষয় স্বীকার করা হয় যে এই জগতের সমস্ত মানুষ মিলেও একটা অণু সৃষ্টি করতে পারবে না। জগতে যত সংখ্যক অণু আছে, তত সংখ্যকই থাকবে।

আপনার জন্য সম্ভব না সেখানে নতুন একটা অণু যোগ করা। তো যেভাবে নতুন একটা অণু সৃষ্টি করতে পারেন না, তেমনই আপনি নতুন কোনো চিন্তাও তৈরি করতে পারবেন না। ওখানে যা আছে তা-ই থাকবে।

ওখানে কিছু যোগ করার ক্ষমতা আল্লাহর আছে, আপনার নেই। ঠিক এভাবেই চিন্তার ক্ষেত্রে আপনার কাছে যা আছে তা তো আছেই, নতুন কিছু কেবল আল্লাহর তরফ থেকেই যোগ হয়।

তাই আপনি যদি দোয়া করেন, এমন অনেক কিছুই পাবেন যা এমনিতে আপনার জন্য কোনোদিন পাওয়া সম্ভব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

আল্লাহ মুমিনের ডাকে যেভাবে সাড়া দেন

আপডেট সময় : 06:54:09 pm, Saturday, 1 January 2022

কুরআনে একটি আয়াত আছে, সুরা বাকারায়, আয়াত নম্বর ১৮৬,

وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُوا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ

আর আমার বান্দাগণ যখন আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করে, তখন বলে দিন যে নিশ্চয় আমি অতি নিকটে। আহ্বানকারী যখন আমাকে ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দিই। তুমি আমার প্রতি বিশ্বাস রাখো, একিন রাখো, এটা আমার হেদায়েতের তরিকা।

আল্লাহ পাকের একথা বলার অর্থ হলো যখন মানুষ তাকে ডাকে, তার ডাকের জওয়াব তিনি দেন। এটাই আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আল্লাহর রহমতে আমি একথা বলতে পারি যে, এমন বিষয় অনেক কথাই আমি জানি যা গোটা দুনিয়ায় আর কেউ জানে না। তো আমার এই জ্ঞান কোথা থেকে এসেছে? দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর তরফ থেকে এসেছে।

ইবনে তাইমিয়াকে অনেক বড় স্কলার মানা হয় ইসলামের ইতিহাসে, তিনি বলতেন, يا معلم ابراهيم علمني. (হে ইবরাহিমের শিক্ষক, আমাকে জ্ঞান দিন।)

যখন কুরআনের কোনো কিছু উনি বুঝতেন না, তখন এই এই দোয়া করতেন। হে পরমসত্তা, আপনি ইবরাহিমকে (আ.) যা বলেছেন, আমাকেও তা-ই বলেন। ইবরাহিমকে (আ.) যেই জ্ঞান দান করেছেন, আমাকেও একই জ্ঞান দিন।

তো, এই দোয়া আমারও জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এমন অসংখ্যবার হয়েছে যে আমি এই দোয়া করেছি, এর পরক্ষণেই এমন জ্ঞান আমার মনে উদয় হয়েছে যা আগে আমি জানতাম না। তাহলে কীভাবে আমি জানলাম? আল্লাহর তরফ থেকে এসেছে।

দেখুন, বিজ্ঞানে একটা বিষয় স্বীকার করা হয় যে এই জগতের সমস্ত মানুষ মিলেও একটা অণু সৃষ্টি করতে পারবে না। জগতে যত সংখ্যক অণু আছে, তত সংখ্যকই থাকবে।

আপনার জন্য সম্ভব না সেখানে নতুন একটা অণু যোগ করা। তো যেভাবে নতুন একটা অণু সৃষ্টি করতে পারেন না, তেমনই আপনি নতুন কোনো চিন্তাও তৈরি করতে পারবেন না। ওখানে যা আছে তা-ই থাকবে।

ওখানে কিছু যোগ করার ক্ষমতা আল্লাহর আছে, আপনার নেই। ঠিক এভাবেই চিন্তার ক্ষেত্রে আপনার কাছে যা আছে তা তো আছেই, নতুন কিছু কেবল আল্লাহর তরফ থেকেই যোগ হয়।

তাই আপনি যদি দোয়া করেন, এমন অনেক কিছুই পাবেন যা এমনিতে আপনার জন্য কোনোদিন পাওয়া সম্ভব না।