সাতক্ষীরা 12:13 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আশাশুনি উপজেলাকে ১টি সংসদীয় আসনের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 03:50:23 pm, Monday, 4 August 2025 176 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলাকে একীভূত করে সংসদীয় আসন-১০৭ (সাতক্ষীরা-৪) করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবী জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাওঃ এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাসের পুত্র ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নু.আ.ম. মুরতাজা আলী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ আবেদন করেছেন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান,সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশ স্বাধীনের পর হতে-২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত ২টি আসন ছিল। ১টি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৩ আশাশুনি ও অপরটি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৫ শ্যামনগর উপজেলা আসন ছিল। যা ছিল ভৌগলিকভাবে দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগপূর্ণ উপকূল এলাকা বিবেচনায়। এরপর বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াত ও বিএনপির বেজ এলাকা বাছাই করে শুধু ভোটার সংখ্যার বিবেচনায় বেশ কিছু সংসদীয় এলাকায় আসন কমিয়ে তাদের সুবিধামত ঢাকা সহ আরো কিছু জায়গায় আসন বৃদ্ধি করা হয়। তার-ই অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসন গঠিত হয়ে ১টি আসন কমানো হয়। কিন্তু এবার আশাশুনি ও শ্যামনগরকে ১টি মাত্র সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৪ আসন করায় বিষয়টি সমাধান না করে আরো জটিল হয়েছে। কারণ ভৌগলিক দিক থেকে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা অনেক বিস্তৃত ও নদী বহুল অঞ্চল। আশাশুনি উপজেলাটি নদী দিয়ে চার খন্ডে বিভক্ত,শ্যামনগর তিন খন্ডে বিভক্ত এবং আশাশুনির সাথে শ্যামনগরের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম উপজেলা,আশাশুনিও তার পাশাপাশি বড়।
২টি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যান্য উপজেলার তুলনায় অনেক দুর্গম ও খারাপ। প্রতি বছর নদী ভেঙ্গে কোনো না কোনো এলাকা প্লাবিত হয়। এই বিশাল এলাকার ১০ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর নিয়ে নির্বাচন করা ১জন সংসদ সদস্যের পক্ষে দুরূহ। যার ফলে উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গনসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর তদারকি করা সম্ভব নয়। তাই ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে ভৌগলিক অবস্থান,দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপকূল এলাকা হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে আশাশুনি উপজেলা ও শ্যামনগর উপজেলাকে দুটি সংসদীয় আসন করা সহ বাকি আসন গুলো পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে আনা জরুরী। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশন মহোদয়ের উল্লেখিত(ইং-৩১/০৭/২০২৫) সিন্ধান্তের ঘোর আপত্তি করছি। জনস্বার্থে আসন পূনর্বিন্যাসের নতুন সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় আশাশুনি উপজেলাকে ১টি
সংসদীয় আসন-১০৭(সাতক্ষীরা-৩) ঘোষনার জোর দাবী জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আশাশুনি উপজেলাকে ১টি সংসদীয় আসনের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন

আপডেট সময় : 03:50:23 pm, Monday, 4 August 2025

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলাকে একীভূত করে সংসদীয় আসন-১০৭ (সাতক্ষীরা-৪) করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবী জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাওঃ এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাসের পুত্র ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নু.আ.ম. মুরতাজা আলী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ আবেদন করেছেন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান,সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশ স্বাধীনের পর হতে-২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত ২টি আসন ছিল। ১টি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৩ আশাশুনি ও অপরটি সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৫ শ্যামনগর উপজেলা আসন ছিল। যা ছিল ভৌগলিকভাবে দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগপূর্ণ উপকূল এলাকা বিবেচনায়। এরপর বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াত ও বিএনপির বেজ এলাকা বাছাই করে শুধু ভোটার সংখ্যার বিবেচনায় বেশ কিছু সংসদীয় এলাকায় আসন কমিয়ে তাদের সুবিধামত ঢাকা সহ আরো কিছু জায়গায় আসন বৃদ্ধি করা হয়। তার-ই অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসন গঠিত হয়ে ১টি আসন কমানো হয়। কিন্তু এবার আশাশুনি ও শ্যামনগরকে ১টি মাত্র সংসদীয় এলাকা সাতক্ষীরা-৪ আসন করায় বিষয়টি সমাধান না করে আরো জটিল হয়েছে। কারণ ভৌগলিক দিক থেকে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলা অনেক বিস্তৃত ও নদী বহুল অঞ্চল। আশাশুনি উপজেলাটি নদী দিয়ে চার খন্ডে বিভক্ত,শ্যামনগর তিন খন্ডে বিভক্ত এবং আশাশুনির সাথে শ্যামনগরের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নাই। তাছাড়া শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম উপজেলা,আশাশুনিও তার পাশাপাশি বড়।
২টি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যান্য উপজেলার তুলনায় অনেক দুর্গম ও খারাপ। প্রতি বছর নদী ভেঙ্গে কোনো না কোনো এলাকা প্লাবিত হয়। এই বিশাল এলাকার ১০ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর নিয়ে নির্বাচন করা ১জন সংসদ সদস্যের পক্ষে দুরূহ। যার ফলে উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গনসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর তদারকি করা সম্ভব নয়। তাই ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে ভৌগলিক অবস্থান,দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপকূল এলাকা হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে আশাশুনি উপজেলা ও শ্যামনগর উপজেলাকে দুটি সংসদীয় আসন করা সহ বাকি আসন গুলো পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে আনা জরুরী। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশন মহোদয়ের উল্লেখিত(ইং-৩১/০৭/২০২৫) সিন্ধান্তের ঘোর আপত্তি করছি। জনস্বার্থে আসন পূনর্বিন্যাসের নতুন সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় আশাশুনি উপজেলাকে ১টি
সংসদীয় আসন-১০৭(সাতক্ষীরা-৩) ঘোষনার জোর দাবী জানিয়েছেন তিনি।