সাতক্ষীরা 5:40 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

দুই বোনকে দিয়ে ‘দেহব্যবসা’ ও ব্ল্যাকমেইল সিন্ডিকেট পলাতক ‘ইয়াবা রহিম’ এর ভয়ঙ্কর অপরাধ সাম্রাজ্য।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 12:43:03 pm, Sunday, 22 February 2026 733 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাদক ব্যবসা, নারী পাচার এবং নিজের আপন দুই বোনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ‘বিয়ে বাণিজ্য’ ও ব্ল্যাকমেইলের এক নারকীয় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে কুখ্যাত অপরাধী আব্দুল রহিম। বর্তমানে চারটি মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) মাথায় নিয়ে সে পলাতক রয়েছে। তার এই অপরাধের জালে আটকা পড়ে নিঃস্ব হয়েছে একাধিক পরিবার।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আব্দুল রহিম তার বড় বোন মনিরা ও ছোট বোন মঞ্জুয়ারাকে ব্যবহার করে এক অভিনব অপরাধ চক্র পরিচালনা করছে। বড় বোন মনিরাকে এ পর্যন্ত সাতটি বিয়ে দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ডিভোর্সের ভয় দেখিয়ে ও দেনমোহরের কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সে। বর্তমানে বড় বোনকে নিজ বাড়িতে রেখে দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে রহিমের বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, ছোট বোন মঞ্জুয়ারাকে ছয়বার বিয়ে দিয়ে এবং পাঁচবার প্রবাসে পাঠিয়ে তার উপার্জিত সমস্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছে এই ‘ইয়াবাখোর’ ভাই। বর্তমানে ছোট বোনকে সৌদি আরবে দেহব্যবসায় বাধ্য করার লোমহর্ষক তথ্যও পাওয়া গেছে।

রহিমের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই পায়নি তার নিজের স্ত্রীরাও। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক হাতিয়ে নেওয়ার পর নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন ও ওষুধের মাধ্যমে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইতিপূর্বে মথপুর এলাকায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে (পাগলী) ধর্ষণের চেষ্টার সময় এলাকাবাসীর হাতে গণধোলাই খেয়েছিল এই দুর্ধর্ষ অপরাধী।

কালিগঞ্জ ও নলতা শরীফ এলাকায় মাদকসহ দুইবার গ্রেফতার হওয়া রহিম বর্তমানে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে চলমান মামলাগুলো হলো:
সিআর ৬৬৭/২৪: (আদালত কর্তৃক ওয়ারেন্টভুক্ত)
সিআর ৭১১/২৪: (প্রতারণা ও জালিয়াতি, ওয়ারেন্টভুক্ত)
সিআর ৫৭১: (বিচারাধীন)
মামলা নং ১০৮: (মাদক ও অন্যান্য অপরাধ)

দুই বোনের ইজ্জত বিক্রি করে বিলাসী জীবন যাপন এবং মাদকের নেশায় মত্ত এই পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। বাংলাদেশ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, “এই কুলাঙ্গার রহিমকে গ্রেফতার করা না হলে আরও অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

দুই বোনকে দিয়ে ‘দেহব্যবসা’ ও ব্ল্যাকমেইল সিন্ডিকেট পলাতক ‘ইয়াবা রহিম’ এর ভয়ঙ্কর অপরাধ সাম্রাজ্য।

আপডেট সময় : 12:43:03 pm, Sunday, 22 February 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাদক ব্যবসা, নারী পাচার এবং নিজের আপন দুই বোনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ‘বিয়ে বাণিজ্য’ ও ব্ল্যাকমেইলের এক নারকীয় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে কুখ্যাত অপরাধী আব্দুল রহিম। বর্তমানে চারটি মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) মাথায় নিয়ে সে পলাতক রয়েছে। তার এই অপরাধের জালে আটকা পড়ে নিঃস্ব হয়েছে একাধিক পরিবার।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আব্দুল রহিম তার বড় বোন মনিরা ও ছোট বোন মঞ্জুয়ারাকে ব্যবহার করে এক অভিনব অপরাধ চক্র পরিচালনা করছে। বড় বোন মনিরাকে এ পর্যন্ত সাতটি বিয়ে দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ডিভোর্সের ভয় দেখিয়ে ও দেনমোহরের কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সে। বর্তমানে বড় বোনকে নিজ বাড়িতে রেখে দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে রহিমের বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, ছোট বোন মঞ্জুয়ারাকে ছয়বার বিয়ে দিয়ে এবং পাঁচবার প্রবাসে পাঠিয়ে তার উপার্জিত সমস্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছে এই ‘ইয়াবাখোর’ ভাই। বর্তমানে ছোট বোনকে সৌদি আরবে দেহব্যবসায় বাধ্য করার লোমহর্ষক তথ্যও পাওয়া গেছে।

রহিমের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই পায়নি তার নিজের স্ত্রীরাও। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক হাতিয়ে নেওয়ার পর নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন ও ওষুধের মাধ্যমে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইতিপূর্বে মথপুর এলাকায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে (পাগলী) ধর্ষণের চেষ্টার সময় এলাকাবাসীর হাতে গণধোলাই খেয়েছিল এই দুর্ধর্ষ অপরাধী।

কালিগঞ্জ ও নলতা শরীফ এলাকায় মাদকসহ দুইবার গ্রেফতার হওয়া রহিম বর্তমানে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে চলমান মামলাগুলো হলো:
সিআর ৬৬৭/২৪: (আদালত কর্তৃক ওয়ারেন্টভুক্ত)
সিআর ৭১১/২৪: (প্রতারণা ও জালিয়াতি, ওয়ারেন্টভুক্ত)
সিআর ৫৭১: (বিচারাধীন)
মামলা নং ১০৮: (মাদক ও অন্যান্য অপরাধ)

দুই বোনের ইজ্জত বিক্রি করে বিলাসী জীবন যাপন এবং মাদকের নেশায় মত্ত এই পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। বাংলাদেশ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, “এই কুলাঙ্গার রহিমকে গ্রেফতার করা না হলে আরও অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে।”