সাতক্ষীরা 2:05 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

খোলপেটুয়া নদীর বাঁধে নতুন করে ভাঙন, জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 08:10:48 pm, Tuesday, 7 April 2026 109 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

সাতক্ষীরা কণ্ঠ ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর পাউবো বেড়িবাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে প্রচণ্ড স্রোতের মুখে বাঁধের প্রায় ১০০ হাত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পুরো এলাকায় বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং হাজারো মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে কাকবাসিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন এ বাঁধে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কার করা হয়েছিল। তবে গত কয়েক দিন ধরে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার ভোরে নদীর তীব্র স্রোতে সবুর গাজীর বাড়ির পাশের অংশটি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। এরই মধ্যে বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণের আরও দুইটি অংশে নতুন করে ফাটল ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ভাঙন এলাকার উত্তরের প্রায় ৫০ ফুট এবং দক্ষিণের আরও ১০০ ফুট এলাকা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর আগেও গত বছর ঈদুল ফিতরের দিন একই স্থানে বাঁধ ভেঙে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফসল, মাছের ঘের ও বসতবাড়ি। এবারও রাতের জোয়ারের আগে জরুরি সংস্কার না হলে পুরো ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
ঘটনার খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। চেয়ারম্যান বলেন, বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক—প্রতি মুহূর্তে মাটি নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ডাম্পিং শুরু না করলে লোকালয় রক্ষা করা সম্ভব হবে না।
এদিকে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক, পাউবোসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বারবার সংস্কার হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় প্রতি বর্ষায় জনজীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই বর্ষা মৌসুমের আগেই টেকসই ও কার্যকর বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

খোলপেটুয়া নদীর বাঁধে নতুন করে ভাঙন, জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি

আপডেট সময় : 08:10:48 pm, Tuesday, 7 April 2026

সাতক্ষীরা কণ্ঠ ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর পাউবো বেড়িবাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে প্রচণ্ড স্রোতের মুখে বাঁধের প্রায় ১০০ হাত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পুরো এলাকায় বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং হাজারো মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে কাকবাসিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন এ বাঁধে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কার করা হয়েছিল। তবে গত কয়েক দিন ধরে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার ভোরে নদীর তীব্র স্রোতে সবুর গাজীর বাড়ির পাশের অংশটি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। এরই মধ্যে বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণের আরও দুইটি অংশে নতুন করে ফাটল ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ভাঙন এলাকার উত্তরের প্রায় ৫০ ফুট এবং দক্ষিণের আরও ১০০ ফুট এলাকা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর আগেও গত বছর ঈদুল ফিতরের দিন একই স্থানে বাঁধ ভেঙে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফসল, মাছের ঘের ও বসতবাড়ি। এবারও রাতের জোয়ারের আগে জরুরি সংস্কার না হলে পুরো ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
ঘটনার খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। চেয়ারম্যান বলেন, বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক—প্রতি মুহূর্তে মাটি নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ডাম্পিং শুরু না করলে লোকালয় রক্ষা করা সম্ভব হবে না।
এদিকে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক, পাউবোসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বারবার সংস্কার হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় প্রতি বর্ষায় জনজীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই বর্ষা মৌসুমের আগেই টেকসই ও কার্যকর বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।