সাতক্ষীরা 12:11 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

ব্রহ্মরাজপুর বাজারে দোকান নিয়ে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন গুরুতর আহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 11:43:58 pm, Tuesday, 30 September 2025 345 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

জি এম আমিনুল হক:সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরদারের বড় ছেলে নোবাত আলী সরদার ও ছোট ছেলে নজরুল ইসলামের মধ্যে জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাজারের একটি দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এ ঘটনায় নোবাত আলীর পক্ষের ৬ জন এবং নজরুল ইসলামের পক্ষের ৪ জন গুরুতর আহত হন। আহতরা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নোবাত আলীর পক্ষের আহতরা হলেন— নোবাত আলী সরদার, তার তিন ছেলে সেলিম হোসেন, শিমুল হোসেন ও শামীম হোসেন, স্ত্রী রিজিয়া বেগম এবং দোকানের ভাড়াটিয়া নুনগোলা গ্রামের রবিউল ইসলাম।
অন্যদিকে নজরুল ইসলামের পক্ষের আহতরা হলেন— নজরুল ইসলাম, তার ভাতিজা মৃত শামছুর রহমানের ছেলে সালাউদ্দিন ও আলাউদ্দিন এবং জামাতা দামারপোতা গ্রামের আহাদ আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে মোট ১২-১৩ জন আহত হন। এর মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের আঘাত তুলনামূলকভাবে হালকা। সংঘর্ষের সময় চায়ের কেটলির গরম পানিতে একজন দগ্ধ হলে ‘এসিড নিক্ষেপের’ গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রারে ‘কেমিক্যাল জাতীয় দাহ্য পদার্থে’ আহতের কথা উল্লেখ থাকলেও এসিড নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষ সাতক্ষীরা সদর থানায় পাল্টাপাল্টি এজাহার দায়ের করেছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক বলেন, “উভয়পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

ব্রহ্মরাজপুর বাজারে দোকান নিয়ে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন গুরুতর আহত

আপডেট সময় : 11:43:58 pm, Tuesday, 30 September 2025

জি এম আমিনুল হক:সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরদারের বড় ছেলে নোবাত আলী সরদার ও ছোট ছেলে নজরুল ইসলামের মধ্যে জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাজারের একটি দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এ ঘটনায় নোবাত আলীর পক্ষের ৬ জন এবং নজরুল ইসলামের পক্ষের ৪ জন গুরুতর আহত হন। আহতরা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নোবাত আলীর পক্ষের আহতরা হলেন— নোবাত আলী সরদার, তার তিন ছেলে সেলিম হোসেন, শিমুল হোসেন ও শামীম হোসেন, স্ত্রী রিজিয়া বেগম এবং দোকানের ভাড়াটিয়া নুনগোলা গ্রামের রবিউল ইসলাম।
অন্যদিকে নজরুল ইসলামের পক্ষের আহতরা হলেন— নজরুল ইসলাম, তার ভাতিজা মৃত শামছুর রহমানের ছেলে সালাউদ্দিন ও আলাউদ্দিন এবং জামাতা দামারপোতা গ্রামের আহাদ আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে মোট ১২-১৩ জন আহত হন। এর মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের আঘাত তুলনামূলকভাবে হালকা। সংঘর্ষের সময় চায়ের কেটলির গরম পানিতে একজন দগ্ধ হলে ‘এসিড নিক্ষেপের’ গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রারে ‘কেমিক্যাল জাতীয় দাহ্য পদার্থে’ আহতের কথা উল্লেখ থাকলেও এসিড নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষ সাতক্ষীরা সদর থানায় পাল্টাপাল্টি এজাহার দায়ের করেছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক বলেন, “উভয়পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”