সাতক্ষীরা 12:03 am, Monday, 9 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 09:44:43 pm, Tuesday, 2 December 2025 221 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদক এর অভিযানের খবর পেয়ে পালালেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার মোমিন আহমেদ। প্রাথমিক তদন্তে অর্থ লেনদেনের সত্যতা মিলেছে বলে বলে তিনি জানান। তবে দুদক এর অভিযানের খবর পেয়ে অফিস ত্যাগ করেছেন উপজেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ। দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ অর্থ লেনদেনের খবর পেয়ে
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে অফিসের আশেপাশে অবস্থান করেছি। কিন্তু অভিযানের কথা জানতে পেরে অফিসার অফিস থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর নিজের ফোন বন্ধ রাখেন। অন্য নাম্বার দিয়ে অফিসের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলেও দুদকের কোন কর্মকর্তার সাথে তিনি কথা বলেননি।
দুদক কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারিকৃত কলেজের ২০০০ সালের বিধি মোতাবেক আশাশুনি সরকারি কলেজের আত্নীকৃত শিক্ষা ক্যাডারে উন্নীত করতে শিক্ষকদের কাছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ ১০লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। লেনদেন নিয়ে দরকষাকষির এক পর্যায়ে এই অফিসার তার সহকারী শাহারাত হোসেনকে সাথে নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অফিসে বসে ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। দাবিকৃত ঘুষের টাকার ১ম কিস্তি ২লক্ষ ২৫হাজার টাকা এর আগে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী অফিসার শাহারাত হোসেন ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ যে টাকা নিয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। অভিযোগের বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিনের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে অফিস সহকারী শাহারাত হোসেনর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ পরে কথা বলবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
ভাষা চেঞ্জ করুন

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : 09:44:43 pm, Tuesday, 2 December 2025

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদক এর অভিযানের খবর পেয়ে পালালেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার মোমিন আহমেদ। প্রাথমিক তদন্তে অর্থ লেনদেনের সত্যতা মিলেছে বলে বলে তিনি জানান। তবে দুদক এর অভিযানের খবর পেয়ে অফিস ত্যাগ করেছেন উপজেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ। দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ অর্থ লেনদেনের খবর পেয়ে
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে অফিসের আশেপাশে অবস্থান করেছি। কিন্তু অভিযানের কথা জানতে পেরে অফিসার অফিস থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর নিজের ফোন বন্ধ রাখেন। অন্য নাম্বার দিয়ে অফিসের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলেও দুদকের কোন কর্মকর্তার সাথে তিনি কথা বলেননি।
দুদক কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারিকৃত কলেজের ২০০০ সালের বিধি মোতাবেক আশাশুনি সরকারি কলেজের আত্নীকৃত শিক্ষা ক্যাডারে উন্নীত করতে শিক্ষকদের কাছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ ১০লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। লেনদেন নিয়ে দরকষাকষির এক পর্যায়ে এই অফিসার তার সহকারী শাহারাত হোসেনকে সাথে নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অফিসে বসে ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। দাবিকৃত ঘুষের টাকার ১ম কিস্তি ২লক্ষ ২৫হাজার টাকা এর আগে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী অফিসার শাহারাত হোসেন ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ যে টাকা নিয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। অভিযোগের বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিনের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে অফিস সহকারী শাহারাত হোসেনর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ পরে কথা বলবো।