আশাশুনির হাজরাখালী ভাঙ্গন কবলিত ভেড়ীবাঁধ পরিদর্শনে এমপি রবিউল বাশার
- আপডেট সময় : 09:38:25 pm, Tuesday, 12 May 2026 174 300 বার পড়া হয়েছে

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান:আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত হাজরাখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ীবাঁধ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩টায় তিনি বাঁধটির ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
হাজরাখালীসহ ইউনিয়নের কয়েকটি পয়েন্টে প্রায় প্রতি বছর বেড়ীবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকে। এলাকার অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ক্রমাগত ভাঙ্গনে ঝুঁকিপূর্ণ হাজরাখালী ভেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি রবিউল বাশার। তিনি দীর্ঘ বাঁধ এলাকা পায়ে হেঁটে বর্তমান অবস্থা সচক্ষে দেখেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও আঃ আলিম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক দীপঙ্কর বাছাড় দিপু, উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুজ্জামান ছট্টু, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ও চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর রহমান, নায়েবে আমীর মাওঃ আঃ হাকিম, সহকারী শিক্ষক আবু হাসান, তারবিয়াত সেক্রেটারী আঃ রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি আবারুল ইসলাম, সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ, যুব বিভাগ সভাপতি আশরাফুল আলমসহ জামায়াতের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সেক্রেটারীরা।
স্থানীয়রা বাঁধ রক্ষায় আশু ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একইসাথে নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিও তোলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, “হাজরাখালী বাঁধ ভাঙ্গনের কথা আমি শুনেছি। আজ বাস্তব চিত্র দেখলাম। দ্রুত কাজ না হলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য আমি চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “মাড়িয়ালা হাইস্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার শত শত মানুষ সড়ক নির্মাণ কাজে গাফিলতির কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না রেখে তিন মাস ধরে রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে বলে শুনেছি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।”
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও আঃ আলিম জানান, ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে রাখায় তার বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এসময় এমপি জরুরি ভিত্তিতে নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে বাঁধ রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন





























