সাতক্ষীরা 11:39 pm, Sunday, 8 November 2026
সংবাদ শিরোনাম ::
ছবিটা ক্লিয়ার করে দাও সাতক্ষীরায় ‘বিজ’-এর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ আলিপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুর রউফের পৌত্র সামির সোয়েব রাদমির অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, অধিকার ও সম্প্রীতির প্রশ্নে অদম্য—নতুন প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় যুব ঐক্য পরিষদ আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাসিক কর্মপরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাতক্ষীরার কথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের বর্তমান অবস্থা (জনগণের ক্ষোভ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি) সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে সার্জেন্টের ছেলে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণ সহ আটক: ১ সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট শামীম রেজা সাতক্ষীরার দেবহাটায় গৃহবধূকে হেনস্তার চেষ্টা ও শিশুদের হয়রানির অভিযোগে যুবক আটক

কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণে এলাকাবাসীর জোর দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 04:43:27 pm, Wednesday, 3 September 2025 244 300 বার পড়া হয়েছে
Khandakarit.com

সাতক্ষীরা কন্ঠ ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভাষা চেঞ্জ করুন

কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণে এলাকাবাসীর জোর দাবি

আপডেট সময় : 04:43:27 pm, Wednesday, 3 September 2025

সাতক্ষীরা কন্ঠ ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।