জি.এম আমিনুল হক:সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা গ্রামের আনারউদ্দীন সরদারের পুত্র আব্দুল্লাহ সরদার(১৯)কতৃক প্রতিবেশী ভাতিজি হাবিবুল্লাহ সরদারের শিশু কন্যা ছদ্মনাম ইয়াসমিনারা খাতুন (৫) কে ২৬ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার সময় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে উপর্যপুরি ধর্ষন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, বালিথা গ্রামের আব্দুল্লাহ সরদার (১৮) তার প্রতিবেশি ভাতিজি(৫) কে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। এসময় ওই শিশু কন্যার গোপনাঙ্গে রক্তক্ষরন হতে থাকলে মারাত্মক অসুস্থ হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।এঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে চাইলে প্রভাবশালী ওই ধর্ষকের পরিবারের লোকজন তাদের নিজ বাড়িতে দীর্ঘক্ষন অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয়রা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনাটি জানতে পেরে এ প্রতিনিধি সরেজমিনে গেলে ধর্ষকের পিতা আনারউদ্দীন সরদার জানান- ঘটনার পরে আমার ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। তবে মেয়েটির বেশি ক্ষতি হয়নি, অল্প রক্ত বের হয়েছে। এটা বড় কোন সমস্যা না।ধর্ষকের মাতা মোসলেমা খাতুন জানান- আমার ছেলে মাদ্রাসায় আলিমে পড়াশোনা করে। সে আগে কখনো এসব করিনি।
ঘটনার সময় আমি সরিশা তুলতে মাঠে ছিলাম। আমি জানতে পেরে বাড়িতে এসে বড় ছেলে সেলিমকে নিয়ে ভিকটিম ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের আটকে রেখে ছিলাম এবং ডাক্তার কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসার খরচসহ ওদের কিছু টাকা পয়সা দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু ওরা কথা শুনিনি। জোর করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। আমার বড় ছেলে সেলিম লোকজন নিয়ে হাসপাতালে গেছে। ওরা মামলা করতে পারবে না।এঘটনায় ভিকটিমের পিতা হাবিবুল্লাহ সরদার মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান- আমার মেয়েকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছি।
তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা মামলা করতে চাই কিন্তু ওরা লোকজন নিয়ে হাসপাতালে এসে বাঁধা দেওয়ায় থানায় যেতে পারছি না। তবে সুযোগ পেলে থানায় গিয়ে মামলা করবো। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হককে বিষয়টি জানানো হলে তিনি জানান-আমি বিষয়টি জানিনা তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক শেখ ইলিয়াস হোসেন রুবেল
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক সাতক্ষীরা কন্ঠ